ICT HSC (Bangla Version)

পঞ্চম অধ্যায় পাঠ-১২ ‘সি’ প্রোগ্রামিং ভাষায় ইনপুট এবং আউটপুট ফাংশন সমূহ।

এই পাঠ শেষে যা যা শিখতে পারবে-১। 'সি' প্রোগ্রামিং এ ইনপুট ও আউটপুট ফাংশনসমূহ ব্যবহার করতে পারবে। ২। ফরমেটেড ও আনফরমেটেড ইনপুট/আউটপুট ফাংশনসমূহ বর্ণনা করতে পারবে। ৩। printf() ও scanf() ফাংশন সম্পর্কে বিস্তারিত ব্যাখ্যা করতে পারবে। 'সি' প্রোগ্রামিং ভাষায় ইনপুট এবং আউটপুট ফাংশনসমূহঃ কোন প্রোগ্রামে ডেটা প্রক্রিয়া করার জন্য প্রথমে ডেটা ইনপুট নিতে হয়। প্রোগ্রামে ডেটা ইনপুট নেওয়ার জন্য ব্যবহৃত ফাংশনকে ইনপুট ফাংশন বলে। আবার প্রক্রিয়া পরবর্তী তথ্য আউটপুটে প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত ফাংশনকে আউটপুট ফাংশন বলে। 'সি' প্রোগ্রামিং ভাষায় ইনপুট নেওয়া এবং আউটপুট দেখানোর জন্য বিভিন্ন লাই...
Read More

পঞ্চম অধ্যায় পাঠ-১১ ‘সি’ প্রোগ্রামিং ভাষার অপারেটরসমূহ এবং রাশিমালা।

এই পাঠ শেষে যা যা শিখতে পারবে-১। অপারেটর ব্যাখ্যা করতে পারবে। ২। 'সি' প্রোগ্রামিং ভাষার বিভিন্ন অপারেটর এবং তাদের ব্যবহার বর্ণনা করতে পারবে। ৩। রাশিমালা ব্যাখ্যা করতে পারবে। ৪। অপারেটরের precedence এবং associativity ব্যাখ্যা করতে পারবে।  অপারেটরঃ 'সি' প্রোগ্রামিং ভাষায় গাণিতিক এবং যৌক্তিক কাজ সম্পাদন করার জন্য কতগুলো বিশেষ চিহ্ন বা সিম্বল ব্যবহৃত হয়, এই সিম্বল বা চিহ্নগুলোকে অপারেটর বলা হয়। অপারেটরগুলো যার উপর কাজ করে তাকে অপারেন্ড বলা হয়।      যেমনঃ A + B * 5 এই  এক্সপ্রেশনটিতে +, * হলো অপারেটর ও A, B হলো অপারেন্ড, 5 হলো ধ্রুবক এবং A + B * 5 হলো এক্সপ্রেশন। অপারেটর ক...
Read More

পঞ্চম অধ্যায় পাঠ-১০ ডেটা টাইপ, টোকেন, কি-ওয়ার্ড, কনস্ট্যান্ট ও ভেরিয়েবল।

এই পাঠ শেষে যা যা শিখতে পারবে-১।  'সি' প্রোগ্রামিং ভাষার ডেটা টাইপ ও এর প্রকারভেদ ব্যাখ্যা করতে পারবে। ২।  ডেটা টাইপের মেমোরি পরিসর এবং ফরম্যাট স্পেসিফায়ার ব্যাখ্যা করতে পারবে। ৩। 'সি' প্রোগ্রামিং ভাষার কিওয়ার্ড গুলো বর্ণনা করতে পারবে। ৪।  'সি' প্রোগ্রামিং ভাষার চলক ও ধ্রুবক ঘোষণা করতে পারবে। ৫। 'সি' প্রোগ্রামিং ভাষায় চলক ঘোষণার নিয়মাবলী বর্ণনা করতে পারবে।  ডেটা টাইপঃ ডেটা টাইপ ডেটার ধরনকে নির্দেশ করে; যেমন- পূর্ণসংখ্যা, ভগ্নাংশ, ক্যারেক্টার ইত্যাদি। প্রতিটি ডেটা টাইপের ভিন্ন ভিন্ন পরিমান মেমোরি প্রয়োজন হয় এবং প্রতিটি ডেটা টাইপের উপর নির্দিস্ট অপারেশন সম্পন্ন হয়। ...
Read More

পঞ্চম অধ্যায় পাঠ-৯ ‘সি’ প্রোগ্রামিং ভাষার প্রাথমিক ধারণা।

এই পাঠ শেষে যা যা শিখতে পারবে-১। 'সি' প্রোগ্রামিং ভাষার প্রাথমিক ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারবে। ২। 'সি' প্রোগ্রামিং ভাষার বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করতে পারবে। ৩। 'সি' প্রোগ্রামিং ভাষায় লেখা একটি  প্রোগ্রামের সাধারণ গঠন ব্যাখ্যা করতে পারবে। ৪। 'সি' প্রোগ্রামিং ভাষায় লেখা একটি প্রোগ্রামের বিভিন্ন অংশ বিশ্লেষণ করতে পারবে।  'সি' প্রোগ্রামিং ভাষার প্রাথমিক ধারণা: 'সি' প্রোগ্রামিং ভাষা একটি স্ট্রাকচার্ড বা প্রোসিডিউর প্রোগ্রামিং ভাষা যা “ডেনিশ রিচি” ডেভলোপ করেন। এই ভাষাটি বেল ল্যাবরেটরিতে UNIX অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করার সময় তৈরি করেন।  মিড লেভেল ভাষা হিসেবে 'সি' অত্যন্ত জনপ্রিয়। 'সি ভাষ...
Read More

পঞ্চম অধ্যায় পাঠ-৮ প্রোগ্রাম ডিজাইন মডেল।

এই পাঠ শেষে যা যা শিখতে পারবে-১। প্রোগ্রাম ডিজাইন মডেল ব্যাখ্যা করতে পারবে। ২। স্ট্রাকচার্ড বা প্রসিডিউর প্রোগ্রামিং মডেল ব্যাখ্যা করতে পারবে। ৩। অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং(OOP) মডেল ব্যাখ্যা করতে পারবে। ৪। ভিজ্যুয়াল প্রোগ্রামিং মডেল ব্যাখ্যা করতে পারবে। ৫। ইভেন্ট ড্রাইভেন প্রোগ্রামিং মডেল ব্যাখ্যা করতে পারবে। প্রোগ্রাম ডিজাইন মডেলঃ সহজ উপায়ে কার্যকরী প্রোগ্রাম তৈরির জন্য যে বিশেষ নীতিমালা বা পদ্ধতি অনুসরণ করা হয় তাকে প্রোগ্রাম ডিজাইন মডেল বলে। কয়েকটি জনপ্রিয় প্রোগ্রাম ডিজাইন মডেল-১। স্ট্রাকচার্ড বা প্রসিডিউর প্রোগ্রামিং মডেল ২। অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্...
Read More

পঞ্চম অধ্যায় পাঠ-৭ লুপ কন্ট্রোল স্টেটমেন্ট সম্পর্কিত অ্যালগোরিদম এবং ফ্লোচার্ট সমূহ।

এই পাঠ শেষে যা যা শিখতে পারবে- ১। ১ থেকে ১০ পর্যন্ত সংখ্যা দেখানোর অ্যালগোরিদম ও ফ্লোচার্ট তৈরি করতে পারবে। ২। ১ থেকে n পর্যন্ত সংখ্যা দেখানোর অ্যালগোরিদম ও ফ্লোচার্ট তৈরি করতে পারবে। ৩। ১ থেকে ১০ এর মধ্যে অবস্থিত বিজোড় সংখ্যাগুলো দেখানোর অ্যালগোরিদম ও ফ্লোচার্ট তৈরি করতে পারবে। ৪। ১ থেকে n এর মধ্যে অবস্থিত বিজোড়  সংখ্যাগুলো দেখানোর অ্যালগোরিদম ও ফ্লোচার্ট তৈরি করতে পারবে। ৫। ১ থেকে ১০ এর মধ্যে অবস্থিত জোড় সংখ্যাগুলো দেখানোর অ্যালগোরিদম ও ফ্লোচার্ট তৈরি করতে পারবে। ৬। ১ থেকে n এর মধ্যে অবস্থিত জোড়  সংখ্যাগুলো দেখানোর অ্যালগোরিদম ও ফ্লোচার্ট তৈরি করতে পারবে। ৭। ১ থেকে ১০...
Read More

পঞ্চম অধ্যায় পাঠ-৬ কন্ডিশনাল কন্ট্রোল স্টেটমেন্ট সম্পর্কিত অ্যালগোরিদম এবং ফ্লোচার্ট সমূহ।

এই পাঠ শেষে যা যা শিখতে পারবে- ১। কোন একটি পূর্ণ সংখ্যা জোড়/বিজোড় নির্নয়ের অ্যালগোরিদম ও ফ্লোচার্ট তৈরি করতে পারবে। ২। কোন সংখ্যা ধনাত্মক/ঋণাত্নক নির্নয়ের অ্যালগোরিদম ও ফ্লোচার্ট তৈরি করতে পারবে। ৩। কোন একটি সাল লিপ ইয়ার(অধিবর্ষ) নির্নয়ের অ্যালগোরিদম ও ফ্লোচার্ট তৈরি করতে পারবে। ৪। দুটি সংখ্যার মধ্যে বড় সংখ্যা নির্নয়ের অ্যালগোরিদম ও ফ্লোচার্ট তৈরি করতে পারবে। ৫। দুটি পূর্ণ সংখ্যার ল. সা. গু. নির্নয়ের অ্যালগোরিদম ও ফ্লোচার্ট তৈরি করতে পারবে। ৬। দুটি পূর্ণ সংখ্যার গ. সা. গু. নির্নয়ের অ্যালগোরিদম ও ফ্লোচার্ট তৈরি করতে পারবে। ৭। তিনটি সংখ্যার মধ্যে সবচেয়ে ছোট সংখ্যা নির্নয়ে...
Read More

পঞ্চম অধ্যায় পাঠ-৫ সাধারণ গাণিতিক সমস্যা সম্পর্কিত অ্যালগোরিদম এবং ফ্লোচার্ট।

এই পাঠ শেষে যা যা শিখতে পারবে-১। দুইটি সংখ্যা ইনপুট নিয়ে যোগফল নির্নয় করার অ্যালগোরিদম ও ফ্লোচার্ট তৈরি করতে পারবে। ২। দুইটি সংখ্যা ইনপুট নিয়ে বিয়োগফল নির্নয় করার অ্যালগোরিদম ও ফ্লোচার্ট তৈরি করতে পারবে। ৩। দুইটি সংখ্যা ইনপুট নিয়ে গুণফল নির্নয় করার অ্যালগোরিদম ও ফ্লোচার্ট তৈরি করতে পারবে। ৪। দুইটি সংখ্যা ইনপুট নিয়ে ভাগফল নির্নয় করার অ্যালগোরিদম ও ফ্লোচার্ট তৈরি করতে পারবে। ৫। সেলসিয়াস স্কেলের তাপমাত্রাকে ফারেনহাইট স্কেলের তাপমাত্রায় রুপান্তরের অ্যালগোরিদম ও ফ্লোচার্ট তৈরি করতে পারবে। ৬। ফারেনহাইট স্কেলের তাপমাত্রাকে সেলসিয়াস তাপমাত্রায় রুপান্তরের অ্যালগোরিদম ও ফ্লোচার্ট তৈ...
Read More

পঞ্চম অধ্যায় পাঠ-৪ অ্যালগোরিদম, ফ্লোচার্ট এবং সূডোকোড।

এই পাঠ শেষে যা যা শিখতে পারবে-১। অ্যালগোরিদম ও ফ্লোচার্ট ব্যাখ্যা করতে পারবে। ২। অ্যালগোরিদম তৈরির শর্ত সমূহ বর্ণনা করতে পারবে। ৩। অ্যালগোরিদম ও ফ্লোচার্ট তৈরির সুবিধাসমূহ বর্ণনা করতে পারবে। ৪। ফ্লোচার্ট তৈরির নিয়মসমূহ বর্ণনা করতে পারবে। ৫। ফ্লোচার্টে ব্যবহৃত প্রতীক সমূহের ব্যবহার বর্ণনা করতে পারবে।  অ্যালগোরিদমঃ কোনো একটি নির্দিষ্ট সমস্যা সমাধানের জন্য যুক্তিসম্মত সসীম সংখ্যক পর্যায়ক্রমিক ধারা বর্ননাকে একত্রে  অ্যালগোরিদম বলা হয়। কোনো সমস্যাকে কম্পিউটার প্রোগ্রামিং দ্বারা সমাধান করার পূর্বে কাগজে-কলমে সমাধান করার জন্যই অ্যালগোরিদম ব্যবহার করা হয়। আরব গনিতবিদ ‘আল খা...
Read More

পঞ্চম অধ্যায় পাঠ-৩ প্রোগ্রামের সংগঠন এবং প্রোগ্রাম তৈরির ধাপসমূহ।

এই পাঠ শেষে যা যা শিখতে পারবে-১। প্রোগ্রামের সংগঠন ব্যাখ্যা করতে পারবে। ২। আদর্শ প্রোগ্রামের বৈশিষ্ট্যসমূহ বর্ণনা করতে পারবে। ৩। প্রোগ্রাম তৈরির ধাপ সমূহ ব্যাখ্যা করতে পারবে। প্রোগ্রাম সংগঠনঃ প্রতিটি পূর্ণাঙ্গ প্রোগ্রামের তিনটি অপরিহার্য অংশ থাকে, যা পারস্পারিক সম্পর্কের মাধ্যমে একটি পূর্ণাঙ্গ প্রোগ্রাম গঠিত হয়। যেমন-১। ইনপুট: প্রতিটি প্রোগ্রামে প্রসেস বা প্রক্রিয়া করার জন্য ইনপুট নেওয়ার ব্যবস্থা থাকতে হবে। ২। প্রসেস বা প্রক্রিয়া: ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ইনপুট নিয়ে প্রসেস বা প্রক্রিয়া করার ব্যবস্থা থাকতে হবে। ৩। আউটপুট: ইনপুট নিয়ে প্রসেস করে আউটপুট দেখানো...
Read More

পঞ্চম অধ্যায় পাঠ-২: অনুবাদক প্রোগ্রাম (অ্যাসেম্বলার, কম্পাইলার, ইন্টারপ্রেটার)।

এই পাঠ শেষে যা যা শিখতে পারবে-১। অনুবাদক প্রোগ্রাম বর্ণনা করতে পারবে। ২। অ্যাসেম্বলার কী এবং এর কাজ বর্ণনা করতে পারবে। ৩। কম্পাইলার এর কাজ, সুবিধা ও অসুবিধা ব্যাখ্যা করতে পারবে। ৪। ইন্টারপ্রেটার এর কাজ, সুবিধা ও অসুবিধা ব্যাখ্যা করতে পারবে। ৫। কম্পাইলার এবং ইন্টারপ্রেটার এর মধ্যে পার্থক্য করতে পারবে।  অনুবাদক প্রোগ্রামঃ যে প্রোগ্রাম উৎস(Source) প্রোগ্রামকে বস্তু(Object) প্রোগ্রামে রূপান্তর করে তাকে অনুবাদক প্রোগ্রাম বলে। মেশিন ভাষায় লেখা প্রোগ্রামকে বলা হয় বস্তু প্রোগ্রাম (Object Program) এবং অন্য যেকোনো ভাষায় লেখা প্রোগ্রামকে বলা হয় উৎস প্রোগ্রাম (Source program)। ...
Read More

পঞ্চম অধ্যায় পাঠ-১ বিভিন্ন প্রজন্মের প্রোগ্রামিং ভাষা এবং বিভিন্ন স্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা।

এই পাঠ শেষে যা যা শিখতে পারবে-১। বিভিন্ন প্রজন্মের প্রোগ্রামিং ভাষা বর্ণনা করতে পারবে। ২। বিভিন্ন স্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা বর্ণনা করতে পারবে। ৩। মেশিন ভাষার সুবিধা, অসুবিধা ও বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করতে পারবে। ৪। অ্যাসেম্বলি ভাষার সুবিধা, অসুবিধা ও বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করতে পারবে। ৫। উচ্চস্তরের প্রোগ্রামিং ভাষার সুবিধা, অসুবিধা ও বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করতে পারবে।  প্রোগ্রামঃ যন্ত্রের মাধ্যমে কোন সমস্যা সমাধানের জন্য প্রোগ্রামিং ভাষা ব্যবহার করে প্রোগ্রামারের দেওয়া প্রয়োজনীয় নির্দেশের সমষ্টিকে প্রোগ্রাম বলা হয়। প্রোগ্রামিংঃ প্রোগ্রামিং ভাষা ব্যবহার করে কোন যন্ত্রকে নির্দেশনা ...
Read More

চতুর্থ অধ্যায় পাঠ-১০: ওয়েবপেইজ ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট এবং ওয়েবসাইট পাবলিশিং।

এই পাঠ শেষে যা যা শিখতে পারবে-১। ওয়েবপেইজ ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট ব্যাখ্যা করতে পারবে। ২। ওয়েবসাইট পাবলিশিং এর গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে পারবে। ৩। ওয়েবসাইট পাবলিশিং এর বিভিন্ন ধাপ সমূহ ব্যাখ্যা করতে পারবে। ৪। বিভিন্ন প্রকার হোস্টিং ব্যাখ্যা করতে পারবে।  ওয়েবপেইজ ডিজাইন এবং ডেভেলপমেন্ট: ওয়েবসাইটের কনটেন্টগুলো বিভিন্ন ওয়েবপেইজের কোন অংশে কিভাবে প্রদর্শিত হবে তা নির্ধারন করাকে ওয়েবপেইজ ডিজাইন বলা হয়। ওয়েবপেইজ ডিজাইন সাধারণত গ্রাফিক্স সফটওয়্যার যেমন ফটোশপ দিয়ে করা হয় এবং তা পরবর্তীতে HTML ব্যবহার করে ওয়েবপেইজ ডেভেলপ বা তৈরি করা হয়। এছাড়া বিভিন্ন সার্ভার-সাইড স্ক্রিপটিং ভাষা ব্যব...
Read More

চতুর্থ অধ্যায় পাঠ-৯: টেবিল তৈরি করার HTML কোড।

এই পাঠ শেষে যা যা শিখতে পারবে-১। ওয়েবপেইজে টেবিল তৈরি করতে পারবে। ২। টেবিলের রো মার্জ করতে পারবে। ৩। টেবিলের কলাম মার্জ করতে পারবে।  HTML এ টেবিলঃ ওয়েবপেইজ তৈরি করার সময় বিভিন্ন ডেটা এবং তথ্য ছক আকারে উপস্থাপন করার জন্য টেবিলের প্রয়োজন হয়। টেবিল হলো কতকগুলো সারি (row) এবং স্তম্ভ (column) এর সমন্বয়ে গঠিত। একটি টেবিলের সকল উপাদানগুলো  <table></table>  ট্যাগ এর মধ্যে থাকে। টেবিলের সারি (row) তৈরি করার জন্য <tr>…</tr> ট্যাগ ব্যবহার করা হয়। টেবিলের সেলগুলো সারির মধ্যে থাকে। টেবিলের হেডার সেল তৈরি করার জন্য <th>…</th> ট্যাগ এবং ডেটা/অবজেক্ট স...
Read More

চতুর্থ অধ্যায় পাঠ-৮: অর্ডারড লিস্ট, আনঅর্ডারড লিস্ট ও ডেসক্রিপশন লিস্ট।

এই পাঠ শেষে যা যা শিখতে পারবে-১। অর্ডারড লিস্ট (Ordered List) তৈরি করতে পারবে। ২। আনঅর্ডারড লিস্ট (Unordered List) তৈরি করতে পারবে। ৩। ডেসক্রিপশন লিস্ট (Description List) তৈরি করতে পারবে। HTML লিস্ট : অনেকসময় ওয়েবপেইজের তথ্য লিস্ট আকারে অর্থাৎ আইটেমগুলোকে নাম্বারিং বা পয়েন্ট আকারে প্রকাশ করার প্রয়োজন হয়। তথ্য লিস্ট আকারে প্রদর্শনের জন্য HTML এ তিন ধরনের লিস্ট আছে। যথা-১। অর্ডারড লিস্ট (Ordered List) ২। আনঅর্ডারড লিস্ট (Unordered List) ৩। ডেসক্রিপশন লিস্ট (Description List)  Ordered List: অর্ডারড লিস্টের আইটেমগুলো সাধারণত অর্ডারিং বা নাম্বারিং করা ...
Read More

চতুর্থ অধ্যায় পাঠ-৭: ইমেজ যুক্ত, হাইপারলিঙ্ক তৈরি, অডিও এবং ভিডিও যুক্ত করার HTML কোড।

এই পাঠ শেষে যা যা শিখতে পারবে-১। ওয়েবপেইজে ছবি যুক্ত করতে পারবে। ২। হাইপারলিঙ্ক তৈরি করতে পারবে। ৩।ওয়েবপেইজে ইমেজ হাইপারলিঙ্ক তৈরি করতে পারবে। ৪। ওয়েবপেইজে অডিও এবং ভিডিও যুক্ত করতে পারবে। ওয়েবপেইজে চিত্র বা ছবি যুক্ত করাঃ আমরা ওয়েবপেইজকে সুন্দর এবং সহজবোধ্য  করার জন্য ওয়েবপেইজে বিভিন্ন প্রকার চিত্র বা ছবি যুক্ত করে থাকি। ওয়েবপেইজে কোনো চিত্র বা ছবি যুক্ত করার জন্য <img> অথবা <img/> ট্যাগ ব্যবহার করা হয়। ওয়েবপেইজে সাধারণত JPG/JPEG(Joint Photographic Experts Group),PNG(Portable Network Graphics), GIF(Graphics Interchange Format), SVG (Scalable Vector Grap...
Read More

চতুর্থ অধ্যায় পাঠ-৬: হেডিং ট্যাগ ,প্যারাগ্রাফ ট্যাগ ,ফরম্যাটিং ট্যাগ ও ফন্ট ট্যাগ সমূহের ব্যবহার।

এই পাঠ শেষে যা যা শিখতে পারবে-১। বিভিন্ন হেডিং ট্যাগের ব্যবহার ব্যাখ্যা করতে পারবে। ২। প্যারাগ্রাফ ট্যাগের ব্যবহার ব্যাখ্যা করতে পারবে। ৩। বিভিন্ন ফরম্যাটিং ট্যাগের ব্যবহার ব্যাখ্যা করতে পারবে। ৪। ফন্টের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য নির্ধারণ করতে পারবে।  HTML হেডিং ট্যাগঃ ওয়েবপেইজে কোন বিষয়ের শিরোনাম দেওয়ার জন্য HTML এ  ৬ ধরণের হেডিং ট্যাগ রয়েছে। যার মধ্যে <h1> হলো সবচেয়ে বড় এবং <h6> সবচেয়ে ছোট। হেডিং ট্যাগ  এর ওপেনিং ট্যাগ এবং ক্লোজিং ট্যাগ এর মধ্যে যা লেখা হয় তা  শিরোনাম হিসাবে দেখায়। এগুলো হলো-<h1> …</h1> <h2> …</h2> <h3>...
Read More

তৃতীয় অধ্যায় পাঠ-১২: সার্বজনীন গেইট( NOR, NAND) ও বিশেষ গেইট(X-OR, X-NOR )।

এই পাঠ শেষে যা যা শিখতে পারবে-১। যৌগিক গেইট ব্যাখ্যা করতে পারবে। ২। সার্বজনীন গেইট বর্ণনা করতে পারবে। ২। NOR ও NAND গেইট সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ণনা করতে পারবে। ৩। বিশেষ গেইট বর্ণনা করতে পারবে। ৪। X-OR ও X-NOR গেইট ব্যাখ্যা করতে পারবে।   যৌগিক গেইট: দুই বা ততোধিক মৌলিক গেইটের সাহায্যে যে গেইট তৈরি করা হয় তাকে যৌগিক গেইট বলে। যেমন- AND Gate +NOT Gate = NAND Gate,  OR Gate + NOT Gate = NOR Gate। সার্বজনীন গেইট: যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND,OR,NOT) অন্যান্য সকল গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে। NAND ও NOR গেইটকে কে সার্বজনীন গেইট বলা হয়...
Read More

দ্বিতীয় অধ্যায় – অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তরসমূহ।

অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশনে সময় বেশি লাগে কেন? ব্যাখ্যা কর।অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশনে ডেটা প্রেরক হতে প্রাপকে ক্যারেক্টার বাই ক্যারেক্টার ট্রান্সমিট হয়। এ ধরনের ট্রান্সমিশনে প্রেরক যে কোনো সময় ডেটা প্রেরণ করতে পারে এবং প্রাপক তা গ্রহণ করতে পারে। এক্ষেত্রে ডেটা ট্রান্সমিশনের জন্য প্রেরকের কোন প্রাথমিক স্টোরেজে ডেটা সংরক্ষনের প্রয়োজন হয় না। প্রতিটি ক্যারেক্টারের শুরুতে একটি স্টার্ট বিট এবং শেষে একটি স্টপ বিট যোগ করে পাঠানো হয়। ফলে মূল ডেটার পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। এক্ষেত্রে প্রতিটি ক্যারেক্টার পাঠানোর মাঝখানের সময়ের ব্যবধান ভিন্ন ভিন্ন হতে পারে। অর্থাৎ এই ট্রান্সমিশন মেথডে ডেটা ক্যারেক্টার বাই ক...
Read More

দ্বিতীয় অধ্যায় – জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তরসমূহ।

ডেটা কমিউনিকেশন কী?কমিউনিকেশন শব্দটি Communicare শব্দ হতে এসেছে যার অর্থ to share(আদান-প্রদান/ বিনিময়)। সুতরাং এক ব্যক্তির সাথে অন্য ব্যক্তির বা এক স্থান থেকে অন্য স্থানে বা এক যন্ত্র থেকে অন্য যন্ত্রে নির্ভরযোগ্যভাবে তথ্যের আদান-প্রদান বা বিনিময়ই হচ্ছে ডেটা কমিউনিকেশন।ব্যান্ডউইথকী?প্রতি সেকেন্ডে যে পরিমান ডেটা ট্রান্সফার হয় অর্থাৎ ডেটা ট্রান্সফারের হারকে ব্যান্ডউইথ বলে। একে  ট্রান্সমিশন স্পিডও বলা হয়। এই ব্যান্ডউইথ সাধারণত Bit per Second (bps) এ হিসাব করা হয়। বাইনারী ডিজিট ০ এবং ১ কে বিট বলে। একে b দ্বারা প্রকাশ করা হয়।ডেটা ট্রান্সমিশন মেথড কী?ডেটা ট্রান্সমিশন বলতে ডেটা পর...
Read More

প্রথম অধ্যায়– অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তরসমূহ।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বলতে কী বোঝায়?সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হলো এমন একটি প্লাটফর্ম যেখানে মানুষ কম্পিউটার, স্মার্ট ফোন ইত্যাদি যন্ত্রের মাধ্যমে ইন্টারনেট এর সাথে সংযুক্ত হয়ে ভার্চুয়াল কমিউনিটি তৈরি করে এবং ছবি , ভিডিও ও বিভিন্ন তথ্য শেয়ার করে থাকে। এছাড়া এসকল মাধ্যমগুলিতে মানুষ স্বাধীনভাবে মতামতও প্রকাশ করতে পারছে। অতীতে সামাজিক যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম ছিল চিঠি যার কারনে বিশ্ব সাহিত্যের বড় একটা অংশ দখল করে আছে পত্র সাহিত্য। কিন্তু বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগের জন্য বিশ্বগ্রামের নাগরিকরা ব্যবহার করে Facebook, Twitter ইত্যাদি সোশ্যাল মিডিয়া ওয়েবসাইট। বিশ্বগ্রাম নাগরিকের  সামাজিক যোগাযোগের সফল ম...
Read More

প্রথম অধ্যায়– জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তরসমূহ।

ডেটা বা উপাত্ত কী?সুনির্দিষ্ট ফলাফল বা আউটপুট পাউয়ার জন্য প্রসেসিংয়ে ব্যবহৃত কাঁচামাল সমুহকে ডেটা বা উপাত্ত বলে। অন্যভাবে বলা যায়- তথ্যের ক্ষুদ্রতম একককে বলা হয় উপাত্ত।তথ্য কী?তথ্য হল কোন প্রেক্ষিতে সুশৃঙ্খলভাবে সাজানো ডেটা যা অর্থবহ এবং ব্যবহারযোগ্য। অন্যভাবে বলা যায়- ডেটা প্রক্রিয়াকরণ পরবর্তী অর্থপূর্ণ রূপ হলো ইনফরমেশন বা তথ্য। তথ্য দ্বারা কোন ব্যক্তি বা বস্তু সম্পর্কে পুর্নাঙ্গ ধারণা পাওয়া যায়।তথ্য প্রযুক্তি কী?তথ্য সংগ্রহ, এর সত্যতা ও বৈধতা যাচাই, সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াকরণ, আধুনিকরন, পরিবহন, বিতরন ও ব্যবস্থাপনার সাথে সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তিকে বলা হয় তথ্য প্রযুক্তি।যোগাযোগপ্...
Read More

তৃতীয় অধ্যায় পাঠ-১১: লজিক গেইট, মৌলিক গেইট (AND, OR, NOT )।

এই পাঠ শেষে যা যা শিখতে পারবে-১। লজিক গেইট ব্যাখ্যা করতে পারবে। ২। লজিক গেইটের প্রকারভেদ বর্ণনা করতে পারবে। ৩। মৌলিক লজিক গেইটের বিস্তারিত ব্যাখ্যা করতে পারবে। লজিক গেইট: লজিক গেইট হলো এক ধরনের ইলেকট্রনিক সার্কিট যা এক বা একাধিক ইনপুট গ্রহণ করে এবং একটি মাত্র  আউটপুট প্রদান করে। লজিক গেইট বুলিয়ান অ্যালজেবরায় মৌলিক কাজগুলো বাস্তবায়নের জন্য ব্যবহার করা হয় । IC এর মুলে রয়েছে লজিক গেইট এবং লজিক গেইট হচ্ছে বুলিয়ান অ্যালজেবরার ব্যবহারিক প্রয়োগ।লজিক গেইটের শ্রেণিবিভাগঃ মৌলিক লজিক গেইটঃ যেসকল গেইট দ্বারা বুলিয়ান অ্যালজেবরার মৌলিক অপারেশনের কাজ করা যায় ...
Read More

তৃতীয় অধ্যায় পাঠ-১০: বুলিয়ান রাশিমালার সরলীকরণ।

এই পাঠ শেষে যা যা শিখতে পারবে-১। লজিক ফাংশন সরলীকরণের নিয়মসমূহ বর্ণনা করতে পারবে। ২। বিভিন্ন বুলিয়ান রাশিমালার বা লজিক ফাংশন সরলীকরণ করতে পারবে। ৩। লজিক ফাংশন সরলীকরণের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে পারবে। বুলিয়ান রাশিমালা লজিক গেইটের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হয়। এক্ষেত্রে রাশিমালায় লজিক অপারেটরের সংখ্যা কম থাকলে বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে লজিক গেইটের সংখ্যা কম লাগে। ফলে বাস্তবায়ন সহজ হয় এবং অর্থ সাশ্রয় হয়। তাই বিভিন্ন বুলিয়ান উপপাদ্যের সাহায্যে বুলিয়ান রাশিমালার সরলীকরণ করা হয়।বুলিয়ান উপপাদ্যের সাহায্যে বুলিয়ান রাশিমালা সরলীকরণের ক্ষেত্রে নিমোক্ত নিয়ম বা ক্রম মানা হয়ঃ১। প্রথ...
Read More

তৃতীয় অধ্যায় পাঠ-৯: বুলিয়ান উপপাদ্যসমূহ, সত্যক সারণি ও ডি-মরগানের উপপাদ্য।

এই পাঠ শেষে যা যা শিখতে পারবে-১। বিভিন্ন বুলিয়ান উপপাদ্য ব্যাখ্যা করতে পারবে। ২। ডি-মরগ্যান উপপাদ্যসমূহ ব্যাখ্যা করতে পারবে। ৩। সত্যক সারণির থেকে বুলিয়ান সমীকরণ তৈরি করতে পারবে। ৪। সত্যক সারণির সাহায্যে ডি-মরগ্যান উপপাদ্য প্রমাণ করতে পারবে। ৫। সত্যক সারণির সাহায্যে যেকোন বুলিয়ান সমীকরণ প্রমাণ করতে পারবে। বুলিয়ান উপপাদ্যঃ যেসব উপপাদ্য ব্যবহার করে জর্জ বুল সকল প্রকার যুক্তিসংগত বিষয়ের গাণিতিক রুপ প্রদান করেছেন সেই উপপাদ্য গুলোকে বুলিয়ান উপপাদ্য বলা হয়।মৌলিক উপপাদ্যঃ  সত্যক সারণি: যে সারণির মাধ্যমে বুলিয়ান সমীকরণে চলকসমূহের বিভিন্ন মানবিন্যাসের...
Read More

তৃতীয় অধ্যায় পাঠ-৮: বুলিয়ান অ্যালজেবরা, বুলিয়ান চলক, ধ্রুবক, পূরক ও বুলিয়ান স্বতঃসিদ্ধ।

এই পাঠ শেষে যা যা শিখতে পারবে-১। বুলিয়ান অ্যালজেবরা ও এর বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করতে পারবে। ২। বুলিয়ান চলক, ধ্রুবক ও পূরক ব্যাখ্যা করতে পারবে। ৩। বুলিয়ান স্বতঃসিদ্ধ ও বুলিয়ান দ্বৈতনীতি ব্যখ্যা করতে পারবে। ৪। সত্যক সারণি তৈরি করতে পারবে।  বুলিয়ান অ্যালজেবরাঃ বুলিয়ান অ্যালজেবরার উদ্ভাবক হলেন প্রখ্যাত ইংরেজ গণিতবিদ জর্জ বুলি। জর্জ বুল সর্বপ্রথম গণিত ও যুক্তির মধ্যে সম্পর্ক আবিষ্কার করেন এবং গণিত ও যুক্তির ওপর ভিত্তি করে এক ধরণের অ্যালজেবরা তৈরি করেন, যাকে বুলিয়ান অ্যালজেবরা বলা হয়। বুলিয়ান অ্যালজেবরা মূলত লজিকের সত্য অথবা মিথ্যা- এ দুটি স্তরের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে। ...
Read More

তৃতীয় অধ্যায় পাঠ-৭: কোড (BCD কোড, ইবিসিডিক (EBCDIC) কোড, অ্যাসকি (ASCII), ইউনিকোড )।

এই পাঠ শেষে যা যা শিখতে পারবে-১। কোডের ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারবে। ২। BCD কোড ব্যাখ্যা করতে পারবে। ৩। বিভিন্ন আলফানিউমেরিক কোড (EBCDIC, ASCII, Unicode) ব্যাখ্যা করতে পারবে।  কোড: কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত প্রতিটি বর্ণ, অঙ্ক, সংখ্যা, প্রতীক বা বিশেষ চিহ্নকে আলাদাভাবে CPU(Central Processing Unit) কে বুঝানোর জন্য বাইনারি বিটের (০ বা ১) অদ্বিতীয় বিন্যাস ব্যবহৃত হয়। এই অদ্বিতীয় বিন্যাসকে বলা হয় কোড। প্রয়োগের ক্ষেত্রের উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন ধরনের কোডের উদ্ভব হয়েছে। যেমন−বিসিডি (BCD) কোড আলফানিউমেরিক কোড (Alphanumeric code)অ্যাসকি (ASCII) ইবিসিডিক (EBCDIC) ...
Read More

তৃতীয় অধ্যায় পাঠ-৬: চিহ্নযুক্ত সংখ্যা এবং কম্পিউটার সিস্টেমে এর উপস্থাপন।

এই পাঠ শেষে যা যা শিখতে পারবে-১। চিহ্নযুক্ত সংখ্যার ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারবে। ২। চিহ্নযুক্ত সংখ্যা কম্পিউটার সিস্টেমে উপস্থাপনের বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যাখ্যা করতে পারবে। ৩। রেজিস্টারের প্রাথমিক ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারবে। ৪। ২ এর পরিপূরক পদ্ধতিতে চিহ্নযুক্ত সংখ্যার যোগ-বিয়োগ করতে পারবে।  বিভিন্ন গাণিতিক সমস্যা সমাধানের ক্ষেত্রে ধনাত্মক ও ঋণাত্মক সংখ্যা ব্যবহার করা হয়। সংখ্যাটি ধনাত্মক নাকি ঋণাত্মক তা বুঝানোর জন্য সাধারণত সংখ্যার পূর্বে চিহ্ন(+ অথবা -) ব্যবহৃত হয়। অর্থাৎ যখন কোন সংখ্যার পূর্বে ধনাত্মক(+) বা ঋণাত্মক(-) চিহ্ন থাকে তখন সেই সংখ্যাকে চিহ্নযুক্ত সংখ্যা বা সাইনড নম...
Read More

তৃতীয় অধ্যায় পাঠ-৫: অক্টাল এবং হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার পারস্পারিক রূপান্তর, বিভিন্ন সংখ্যা পদ্ধতির যোগ।

এই পাঠ শেষে যা যা শিখতে পারবে-১। অক্টাল সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তর করতে পারবে। ২। হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তর করতে পারবে। ৩। বিভিন্ন সংখ্যা পদ্ধতির সংখ্যার যোগ করতে পারবে।  অক্টাল সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তরঃ ১।প্রথমে অক্টাল সংখ্যাটিকে বাইনারি সংখ্যায় রুপান্তর করতে হবে (পাঠ-৪ এ অক্টাল থেকে বাইনারি রূপান্তর আলোচনা করা হয়েছে)। ২। তারপর বাইনারি সংখ্যাটিকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তর করতে হবে (পাঠ-৪ এ বাইনারি থেকে হেক্সাডেসিমেল রূপান্তর আলোচনা করা হয়েছে)। অথবা  ১। প্রথমে অক্টাল সংখ্যাটিকে ডেসিমেল সংখ্যায় রুপান্তর ক...
Read More

ষষ্ঠ অধ্যায় পাঠ-১: ডেটাবেজের ধারণা।

এই পাঠ শেষে যা যা শিখতে পারবে-১। উপাত্ত ও তথ্য ব্যাখ্যা করতে পারবে। ২। উপাত্ত ও তথ্যের মধ্যে পার্থক্য করতে পারবে। ৩। ডেটা সংগঠন ব্যাখ্যা করতে পারবে। ৫। ডেটাবেজের সুবিধা ও অসুবিধাসমূহ ব্যাখ্যা করতে পারবে। ৬। ডেটাবেজ ব্যবস্থাপনার এলাকাসমূহ বর্ণনা করতে পারবে।  Data/উপাত্তঃ সুনির্দিষ্ট ফলাফল বা আউটপুট পাওয়ার জন্য প্রসেসিংয়ে ব্যবহৃত কাঁচামাল সমুহকে ডেটা বা উপাত্ত বলে। অন্যভাবে বলা যায়- তথ্যের ক্ষুদ্রতম একককে বলা হয় উপাত্ত। Data এর অর্থ ফ্যাক্ট(Fact) যার একবচন হলো Datum। ডেটা এক বা একাধিক বর্ণ (A-Z, a-z), চিহ্ন(+,-,/,*,<,>,= ) বা সংখ্যা(0-9) হতে পারে। ডেটার শ্রেণী ...
Read More