ICT HSC (Bangla Version)

ষষ্ঠ অধ্যায় – জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর সমূহ।

ডেটা বা উপাত্ত কী?সুনির্দিষ্ট ফলাফল বা আউটপুট পাউয়ার জন্য প্রসেসিংয়ে ব্যবহিত কাঁচামাল সমুহকে ডেটা বা উপাত্ত বলে। অন্যভাবে বলা যায়- তথ্যের ক্ষুদ্রতম একককে বলা হয় উপাত্ত।তথ্য কী?তথ্য হল কোন প্রেক্ষিতে সুশৃঙ্খলভাবে সাজানো ডেটা যা অর্থবহ এবং ব্যবহারযোগ্য। অন্যভাবে বলা যায়- ডেটা প্রক্রিয়াকরণ পরবর্তী অর্থপূর্ণ রূপ হলো ইনফরমেশন বা তথ্য। মানুষ বিভিন্ন কাজে ইনফরমেশন ব্যবহার করে।ডেটাবেজ কি?Data শব্দের অর্থ হচ্ছে উপাত্ত  এবং Base শব্দের অর্থ হচ্ছে সমাবেশ। শাব্দিক অর্থে ডেটাবেজ হচ্ছে কোনো বিষয়ের ওপর সম্পর্কিত ব্যাপক উপাত্তের সমাবেশ। অন্যভাবে বলা যায়, পরস্পর সম্পর্কযুক্ত এক বা একাধিক ফা...
Read More

পঞ্চম অধ্যায় – জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর সমূহ।

প্রোগ্রাম কী?কম্পিউটার বা যন্ত্রের সাহায্যে কোন সমস্যা সমাধানের জন্য প্রোগ্রামিং ভাষায় লেখা প্রয়োজনীয় নিদের্শমালার সমষ্টিকে প্রোগ্রাম (program) বলা হয়।প্রোগ্রামিং কী?প্রোগ্রাম রচনার পদ্ধতি বা কৌশলকে প্রোগ্রামিং (programming) বা কোডিং বলা হয়।প্রোগ্রামার কী?যে বা যিনি কম্পিউটার বা যন্ত্রের সাহায্যে কোন সমস্যা সমাধানের জন্য প্রোগ্রামিং ভাষায় প্রয়োজনীয় নিদের্শমালা বা প্রোগ্রাম লিখে  তাকে  প্রোগ্রামার বলা হয়।প্রোগ্রামিং ভাষা কী?কম্পিউটারের মাধ্যমে কোন সমস্যা সমাধান তথা প্রোগ্রাম রচনার জন্য ব্যবহৃত শব্দ, বর্ণ, অংক, চিহ্ন প্রভৃতির সমন্বয়ে গঠিত রীতিনীতিকে প্রোগ্রামিং ভাষা (...
Read More

পঞ্চম অধ্যায় – অনুধাবন প্রশ্ন ও উত্তর সমূহ।

০, ১ দিয়ে লেখা ভাষা ব্যাখ্যা কর। / মেশিন ভাষায় লিখিত প্রোগ্রাম দ্রুত নির্বাহ হয় কেন?/ “শব্দ ছাড়া শুধু মাত্র সংখ্যার মাধ্যমে ভাষা প্রকাশ সম্ভব”- ব্যাখ্যা কর।কম্পিউটারের নিজস্ব ভাষা হচ্ছে মেশিন ভাষা। এটি কম্পিউটারের মৌলিক ভাষা। এই ভাষায় শুধু মাত্র ০ এবং ১ ব্যবহার করা হয় বলে এই ভাষায় দেওয়া যেকোনো নির্দেশ কম্পিউটার সরাসরি বুঝতে পারে। মেশিন ভাষার সবচেয়ে বড় সুবিধা হচ্ছে সরাসরি কম্পিউটারের সাথে যোগাযোগ করা যায়। মেশিন ভাষায় লেখা প্রোগ্রাম নির্বাহের জন্য কোনো প্রকার অনুবাদক প্রোগ্রামের প্রয়োজন হয় না। ফলে দ্রুত কাজ করে। মেশিন ভাষায় লিখিত প্রোগ্রামে অতি অল্প মেমোরি প্রয়োজন হয়। কম্পিউটারের ভেতরের গঠন ...
Read More

তৃতীয় অধ্যায়- অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তরসমূহ।

 সংখ্যা পদ্ধতির বেজ ব্যাখ্যা কর।কোনো একটি সংখ্যা পদ্ধতিতে ব্যবহৃত মৌলিক চিহ্ন সমূহের সমষ্টিকে ঐ সংখ্যা পদ্ধতির বেজ (Base) বা ভিত্তি বলে।যেমন- দশমিক সংখ্যাতে মোট মৌলিক চিহ্ন (০,১,২,৩,৪,৫,৬,৭,৮,৯) ১০টি। সুতরাং দশমিক সংখ্যা পদ্ধতির বেজ ১০। তেমনিভাবে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে যেহেতু ০ এবং ১ এই দুইটি প্রতিক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাই এর বেজ হচ্ছে ২ । অকটাল সংখ্যা পদ্ধতিতে ০ থেকে ৭ পর্যন্ত মোট ৮ টি প্রতিক বা চিহ্ন নিয়ে যাবতীয় গাণিতিক কর্মকান্ড সম্পাদন করা হয় বলে এর বেজ বা ভিত্তি হলো ৮। হেক্সাডেসিম্যাল সংখ্যা পদ্ধতিতে মোট ১৬ টি প্রতিক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় বলে এর বেজ হচ্ছে ১৬।হেক্সাডেসিম্যাল...
Read More

তৃতীয় অধ্যায় – জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তরসমূহ।

নাম্বার (সংখ্যা) কি?সংখ্যা হচ্ছে একটি উপাদান যা কোনকিছু গণনা, পরিমাণ এবং পরিমাপ করার জন্য ব্যবহৃত হয়। যেমন- একাদশ শ্রেণীতে ২৪৩ জন ছাত্র আছে; এখানে ২৪৩ একটি সংখ্যা।ডিজিট (অংক) কি?সংখ্যা তৈরির ক্ষুদ্রতম প্রতীকই হচ্ছে অংক। সকল অংক সংখ্যা কিন্তু সকল সংখ্যা অংক নয়। যেমন ২৪৩ তিন অংক বিশিষ্ট একটি সংখ্যা, যা ২, ৪ এবং ৩ পৃথক তিনটি অংক নিয়ে গঠিত। যারা প্রত্যেকেই পৃথকভাবে একেকটি সংখ্যা।বিট কি?বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির ০ এবং ১ এই দুটি মৌলিক চিহ্নকে বিট বলে। উদাহরণ-১১০১ সংখ্যাটিতে ৪ টি বিট রয়েছে।বাইট কি?আট বিটের গ্রুপ নিয়ে গঠিত হয় একটি বাইট। উদাহরণ ১০,১০০১০০ সংখ্যাটিতে ৮ টি বিট রয়ে...
Read More

ষষ্ঠ অধ্যায় – অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর সমূহ।

ফিল্ড ও রেকর্ড এক নয়- ব্যাখ্যা কর।/ ফিল্ড রেকর্ডের উপর নির্ভরশীল নয়-ব্যাখ্যা কর।কোনো একটি টেবিলের যে প্রোপার্টিজগুলো  এনটিটির বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে এবং যার ওপর ভিত্তি করে উপাত্ত গ্রহণ, প্রক্রিয়াকরণ ও সংরক্ষণ করা হয় তাকে ফিল্ড বলে। অপরদিকে, পরস্পর সম্পর্কযুক্ত  একাধিক ফিল্ড নিয়ে গঠিত হয় এক একটি রেকর্ড। যেমন কোন একটি এন্টিটির Id, Name, GPA ইত্যাদি হল এক একটি ফিল্ড কিন্তু কোন একটি এন্টিটির জন্য সবগুলো ফিল্ডের মানকে একত্রে একটি রেকর্ড বলা হয়। তাই বলা যায় – ফিল্ড ও রেকর্ড এক নয়। অথবা ফিল্ড রেকর্ডের উপর নির্ভরশীল নয়। DBMS এ ডেটা ভেলিডেশনের প্রয়োজনীয়তা আছে কী? বুঝিয়ে লেখ।  ...
Read More

চতুর্থ অধ্যায় – অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর সমূহ।

১। ওয়েবপেইজের সাথে ব্রাউজারের সম্পর্ক ব্যাখ্যা কর। ওয়েবপেইজ হলো এক ধরনের ওয়েব বা ইলেকট্রনিক ডকুমেন্ট যা বিভিন্ন দেশের সার্ভারে রাখা হয় এবং যে সফটওয়্যার এর সাহায্যে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের সার্ভারে রাখা পরস্পর সংযুক্ত ওয়েবপেইজ দেখা যায় তাকে ওয়েব ব্রাউজার বলে। অর্থাৎ যেকোন ইন্টারনেট ব্যবহারকারী পৃথিবীর যেকোন জায়গা থেকে বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন সার্ভারে রাখা ওয়েবপেইজগুলো ব্রাউজারের সাহায্যে দেখতে পারে। এছাড়া ওয়েব ব্রাউজার একজন ব্যবহারকারীকে দ্রুত এবং সহজে ওয়েবপেইজের সাথে তথ্য আদান-প্রদানে সাহায্য করে। তাই ওয়েবপেইজ ও ব্রাউজার একে অপরের সাথে সম্পর্কিত। ২। “প্রতিনিয়ত পরিবর্তনশীল তথ্যের ওয়েবসাইট”-ব্যাখ...
Read More

চতুর্থ অধ্যায় – জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর সমূহ।

১। ওয়েব ডিজাইন কী?  ওয়েব ডিজাইন হল এমন একটি প্রক্রিয়া যার সাহায্যে ওয়েবপেইজের বাহ্যিক সৌন্দর্য তৈরি করা হয়। অর্থাৎ এই প্রক্রিয়ায় একটি ওয়েবপেইজের বিভিন্ন লেআউট, রং, গঠন, গ্রাফিক্স এবং ইন্টারেক্টিভ বৈশিষ্ট্যগুলি নির্ধারন করা হয়। ২। ওয়েব বা www কী? ইন্টারনেট ব্যবহার করে ওয়েবসাইট থেকে তথ্য নেওয়ার প্রক্রিয়াকে বলা হয় ওয়েব। ওয়েব কে www (World Wide Web) ও বলা হয়। তিনটি  প্রযুক্তির সমন্বয়ে ওয়েব গড়ে উঠেছে। যথা-HTML ,HTTP ও Web browser। ৩। ইন্টারনেট কী? ইন্টারনেট হলো পৃথিবীজুড়ে বিস্তৃত অসংখ্য নেটওয়ার্কের সমম্বয়ে গঠিত একটি বিরাট নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা । ইন্টারনেটকে যোগাযোগ ব্যবস্থাও বলা হয়। ৪। ওয়...
Read More

ষষ্ঠ অধ্যায় পাঠ-১০: ডেটাবেজ সিকিউরিটি।

এই পাঠ শেষে যা যা শিখতে পারবে- ১। ডেটাবেজ সিকিউরিটি ব্যাখ্যা করতে পারবে। ২। ডেটা এনক্রিপশন এর বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যাখ্যা করতে পারবে।  ডেটাবেজ সিকিউরিটিঃ একটি ডেটাবেজে অনির্দিষ্ট ব্যবহারকারী থেকে ডেটা সুরক্ষিত রাখাকে বলা হয় ডেটাবেজ সিকিউরিটি। ডেটাবেজ সিকিউরিটি নিচের বিষয়গুলোকে নিয়ন্ত্রণ করে: ১। ব্যবহারকারীর ডেটা ব্যবহার করার অধিকার সংরক্ষণ করা। ২। সিস্টেম রিসোর্স ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা। ৩। ডিস্ক ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা। ৪। ব্যবহারকারীর অ্যাকশন নিয়ন্ত্রণ করা। ৫। ব্যবহারকারীর ডেটা ব্যবহারের সীমা নির্ধারণ করা।  ডেটাবেজের সিকিউরিটি প্রধানত ২ ভাগে ভাগ করা যায়:ক। সি...
Read More

ষষ্ঠ অধ্যায় পাঠ-৯ কর্পোরেট ডেটাবেজ এবং সরকারি প্রতিষ্ঠানে ডেটাবেজ।

এই পাঠ শেষে যা যা শিখতে পারবে- ১। কর্পোরেট ডেটাবেজ ব্যাখ্যা করতে পারবে। ২। সরকারি প্রতিষ্ঠানে ডেটাবেজ এর ব্যবহার বর্ণনা করতে পারবে। কর্পোরেট ডেটাবেজ: কর্পোরেট ডেটাবেজ হলো প্রতিষ্ঠানিক পর্যায়ের সেই ডেটাবেজ যা কোনো প্রতিষ্ঠান কর্তৃক বাণিজ্যিক ভিত্তিতে ব্যবহৃত হয়। প্রতিটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন ধরনের বিভাগ বা অনুবিভাগ থাকে যেমন- উৎপাদন, বিক্রয়, বিতরণ, বিপনন, গ্রাহক সেবা, মানব সম্পদ উন্নয়ন, আইটি, অডিট, গ্রাহক সেবা ইত্যাদি। উক্ত প্রতিষ্ঠানের আওতায় থাকা সকল ডেটার এক বিশাল সংগ্রহ থাকে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে তাদের কর্মী, ক্রেতা, সরবরাহকারি, অংশীদার এবং সরকারকে নির্ভুল ও সময়...
Read More

ষষ্ঠ অধ্যায় পাঠ-৮ : ডেটাবেজ রিলেশন এবং এর বিভিন্ন প্রকারভেদ।

এই পাঠ শেষে যা যা শিখতে পারবে- ১। ডেটাবেজ রিলেশন ব্যাখ্যা করতে পারবে। ২। ডেটাবেজ রিলেশনের শর্ত বর্ণনা করতে পারবে। ৩। ডেটাবেজ রিলেশনের প্রকারভেদ ব্যাখ্যা করতে পারবে।  ডেটাবেজ রিলেশনঃ ডেটাবেজের একটি টেবিলের রেকর্ডের সাথে অপর একটি টেবিলের রেকর্ডের সম্পর্ককে ডেটাবেজ রিলেশন বলে। অর্থাৎ ডেটাবেজ রিলেশন হলো বিভিন্ন ডেটা টেবিলের মধ্যকার লজিক্যাল সম্পর্ক। ডেটাবেজ রিলেশনের শর্তঃ ১। রিলেশনাল ডেটা টেবিলগুলোর মধ্যে কমপক্ষে একটি কমন ফিল্ড থাকবে। কমন ফিল্ডের ডেটা টাইপ, ফিল্ড সাইজ এবং ফরমেট ইত্যাদি একই হতে হবে। ২। রিলেশনাল টেবিলগুলোর মধ্যে অন্তত একটি টেবিলে অবশ্যই প্রাইমারি কী...
Read More

ষষ্ঠ অধ্যায় পাঠ-৭: ডেটাবেজ মডেল এবং বিভিন্ন প্রকার কী ফিল্ড।

এই পাঠ শেষে যা যা শিখতে পারবে- ১। বিভিন্ন ডেটাবেজ মডেল ব্যাখ্যা করতে পারবে। ২। ডেটাবেজ টেবিলের বিভিন্ন কী ফিল্ড (Candidate key, Primary key, Composite primary key and Foreign key) ব্যাখ্যা করতে পারবে। ডেটাবেজ মডেল: ডেটাবেজ মডেল ডেটাবেজের লজিক্যাল ডিজাইন এবং স্ট্রাকচার নির্ধারণ করে এবং কোন ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে কীভাবে তথ্য সংরক্ষণ, অ্যাক্সেস এবং আপডেট করা হবে তা নির্ধারণ করে। বিভিন্ন ধরণের ডেটাবেজ মডেলঃ১। লিনিয়ার মডেল ২। ER(Entity Relationship) মডেল ৩। রিলেশনাল মডেল ৪। হায়ারার্কিক্যাল মডেল ৫। নেটওয়ার্ক মডেল ৬। অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড ডেটাবেজ মডেল ...
Read More

ষষ্ঠ অধ্যায় পাঠ-৬: ডেটাবেজ সর্টিং এবং ইনডেক্সিং।

এই পাঠ শেষে যা যা শিখতে পারবে- ১। ডেটাবেজ সর্টিং ব্যাখ্যা করতে পারবে। ২। ডেটাবেজ ইনডেক্সিং ব্যাখ্যা করতে পারবে। ৩। ইনডেক্সিং এর সুবিধা এবং অসুবিধা বর্ণনা করতে পারবে। ৪। সর্টিং এবং ইনডেক্সিং এর মধ্যে পার্থক্য করতে পারবে।  ডেটাবেজ সর্টিংঃ এক বা একাধিক ফিল্ড এর মানের উপর ভিত্তি করে ডেটাবেজের রেকর্ডগুলোকে উর্ধ্বক্রম বা নিম্নক্রমে সাজানোর প্রক্রিয়া হচ্ছে সর্টিং। একটি ডেটা টেবিল সর্টিং করার ফলে নতুন একটি টেবিল তৈরি হয় যেখানে টেবিলের রেকর্ডগুলো সর্টিং করা থাকে। একটি টেবিল সর্টিং করার পর টেবিলে নতুন কোন ডেটা ইনপুট দিলে সর্টেড টেবিলটির কোন পরিবর্তন হয় না। এই ক্ষেত্রে পুনরায় সর্...
Read More

ষষ্ঠ অধ্যায় পাঠ-৫ ডেটাবেজের বিভিন্ন SQL কমান্ড।

এই পাঠ শেষে যা যা শিখতে পারবে- ১। SQL এর DDL কমান্ডসমূহ লিখতে পারবে। ২। SQL এর DML কমান্ডসমূহ লিখতে পারবে। ৩। SQL এর DQL কমান্ডসমূহ লিখতে পারবে। DDL (Data Definition Language ) এর ব্যবহারঃ  একটি ডেটাবেজ তৈরির  SQL কমান্ডের সিনট্যাক্সঃ  [crayon-5d5e97438efa9491090638/] db_sagc নামে একটি ডেটাবেজ তৈরির  SQL কমান্ড:   [crayon-5d5e97438efac613194385/]  টেবিল তৈরির  SQL কমান্ডের সিনট্যাক্সঃ  [crayon-5d5e97438efae980502675/]student_info নামের উপরের টেবিলটি তৈরির SQL কমান্ডঃ [crayon-5d5e97438efaf341998513/]  টেবিলে নতুন ফিল্ড যোগ করা...
Read More

ষষ্ঠ অধ্যায় পাঠ-৪: ডেটাবেজ কুয়েরি, বিভিন্ন কুয়েরি ভাষা এবং অপারেটর সমূহ।

এই পাঠ শেষে যা যা শিখতে পারবে-১। ডেটাবেজের বিভিন্ন কুয়েরি ব্যাখ্যা করতে পারবে। ২। বিভিন্ন কুয়েরি ভাষা ব্যাখ্যা করতে পারবে। ৩। ডেটাবেজের বিভিন্ন অপারেটর ব্যাখ্যা করতে পারবে।  কুয়েরিঃ ডেটাবেজে সংরক্ষিত অসংখ্য তথ্য থেকে নির্দিষ্ট কোনো শর্ত সাপেক্ষে তথ্য খুঁজে বের করাকে বলা হয় কুয়েরি।  কুয়েরির সাহায্যে নির্দিষ্ট ফিল্ডের ডেটা,নির্দিষ্ট গ্রুপের ডেটা নির্দিষ্ট শর্ত সাপেক্ষে প্রদর্শন করা যায়।   বিভিন্ন প্রকার কুয়েরিঃ সিলেক্ট কুয়েরি (Select Query): কোনো ডেটাবেজ টেবিলের ফিল্ড বা কলাম নির্বাচন করে যে কুয়েরি করা হয় তাকে সিলেক্ট কুয়েরি বলা হয়। প্যারামিটার কুয়েরি (Par...
Read More

ষষ্ঠ অধ্যায় পাঠ-৩: ডেটাবেজ ও টেবিল তৈরি এবং ফিল্ডের ডেটা টাইপ।

এই পাঠ শেষে যা যা শিখতে পারবে-১। ডেটাবেজ তৈরি করতে পারবে। ২। টেবিল তৈরি করতে পারবে। ৩। ডেটাবেজ টেবিলের বিভিন্ন ডেটা টাইপ ব্যাখ্যা করতে পারবে।  ডেটাবেজ তৈরি: Database তৈরি করার জন্য DBMS হিসেবে Microsoft Access 2010 এর ব্যবহার দেখানো হল। প্রথমেই Microsoft Access 2010 অ্যাপ্লিকেশনটি ইন্সটল দিতে হবে। তারপর প্রোগ্রামটি রান করলে নিচের মত করে চিত্র প্রদর্শিত হবে।চিত্রের ডান পার্শে নিচে File Name থেকে ডেটাবেজের নাম এবং ডেটাবেজের লোকেশন পরিবর্তন করা যায়। অবশেষে create button এ ক্লিক করলে ডেটাবেজ তৈরি হবে।   টেবিল তৈরি: ডেটাবেজ হলো পরস্পর সম্পর্কযুক্ত একাধিক টেবিলের সমন...
Read More

ষষ্ঠ অধ্যায় পাঠ-২: ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS) এবং RDBMS।

এই পাঠ শেষে যা যা শিখতে পারবে-১। DBMS এর ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারবে। ২। DBMS এর কাজ সমূহ বর্ণনা করতে পারবে। ৩। DBMS এর সুবিধা ও অসুবিধাসমূহ বর্ণনা করতে পারবে। ৪। RDBMS কী, এর ব্যবহার ও সুবিধাসমূহ ব্যাখ্যা করতে পারবে। ৫। DBA এবং এর কাজ বর্ণনা করতে পারবে।  ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম  (DBMS): ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম বা DBMS হলো এমন একটি সফটওয়্যার যা ডেটাবেজ তৈরি, পরিবর্তন, সংরক্ষণ, নিয়ন্ত্রণ এবং পরিচালনার কাজে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণঃ MySQL, PostgreSQL, Microsoft Access, SQL Server, FileMaker, Oracle, dBASE, Clipper, and FoxPro.  ইত্যাদি। DBMS এর কাজসমূ...
Read More

পঞ্চম অধ্যায় পাঠ-২০ ‘সি’ প্রোগ্রামিং ভাষায় ফাংশন।

এই পাঠ শেষে যা যা শিখতে পারবে-১। ফাংশন ব্যাখ্যা করতে পারবে। ২। লাইব্রেরী ফাংশন এবং ইউজার-ডিফাইন্ড ফাংশন ব্যাখ্যা করতে পারবে। ৩। ফাংশন ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করতে পারবে। ৪। রিকার্শন ফাংশন এবং এর সুবিধা ও অসুবিধা ব্যাখ্যা করতে পারবে।  ফাংশন: ফাংশন হলো কতগুলো স্টেটমেন্টের সমষ্টি যা একত্রে একটি নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করে। প্রতিটি ফাংশন ইনপুট নেয়, প্রসেস করে এবং একটি আউটপুট দেয়। প্রতিটি 'সি' প্রোগ্রাম এরূপ এক বা একাধিক ফাংশনের সমষ্টি।Syntax of a function:ফাংশন ডিক্লারেশনঃ ফাংশন ডিক্লারেশন ফাংশনের রিটার্ন টাইপ, ফাংশনের নাম, ফাংশনের প্যারামিটার সম্পর্কে কম্পা...
Read More

তৃতীয় অধ্যায় পাঠ -১৭- রেজিস্টার এবং কাউন্টার।

রেজিস্টার: রেজিস্টার হলো একগু‛ছ ফ্লিপ-ফ্লপ এবং গেইটের সমন্বয়ে গঠিত সার্কিট যা অস্থায়ী মেমরি হিসেবে কাজ করে। এর প্রত্যেকটি ফ্লিপ-ফ্লপ একটি করে বাইনারি বিট সংরক্ষণ করতে পারে। কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশে প্রোগ্রাম নির্বাহের সময় উপাত্ত অস্থায়ীভাবে জমা রাখার জন্য রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়। n বিটের একটি বাইনারি তথ্য ধারণের জন্য n সংখ্যক ফ্লিপ-ফ্লপ বিশিষ্ট একটি রেজিস্টার প্রয়োজন। ৮-বিট রেজিস্টার, ১৬- বিট রেজিস্টার, ৩২-বিট রেজিস্টার ইত্যাদি- যারা যথাক্রমে ৮, ১৬, ৩২ বিট তথ্য ধারণ করতে পারবে।রেজিস্টারের প্রকারভেদ- গঠন অনুসারে রেজিস্টার বিভিন্ন প্রকার হতে পারে। যথা: ১. প্যারালাল লোড রেজিস্টার  ২. শ...
Read More

তৃতীয় অধ্যায় পাঠ-১৬ অ্যাডার (হাফ-অ্যাডার, ফুল-অ্যাডার)।

এই পাঠ শেষে যা যা শিখতে পারবে-১। অ্যাডার সম্পর্কে ব্যাখ্যা করতে পারবে। ২। হাফ-অ্যাডার সম্পর্কে বিস্তারিত ব্যাখ্যা করতে পারবে। ৩। ফুল-অ্যাডার সম্পর্কে বিস্তারিত ব্যাখ্যা করতে পারবে। ৪। হাফ-অ্যাডার এর সাহায্যে ফুল-অ্যাডার বাস্তবায়ন করতে পারবে। ৫। বাইনারি অ্যাডার ব্যাখ্যা করতে পারবে।  অ্যাডার: যে সমবায় সার্কিট দ্বারা যোগ করা যায় তাকে অ্যাডার বা যোগের বর্তনী বলে। কম্পিউটারের সকল গাণিতিক কাজ বাইনারি যোগের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। গুণ হলো বার বার যোগ করা এবং ভাগ হলো বার বার বিয়োগ করা। আবার পূরক পদ্ধতিতে বাইনারি যোগের মাধ্যমেই বিয়োগ করা যায়। কাজেই যোগ করতে পারার মানেই হলো গুণ, ...
Read More

তৃতীয় অধ্যায় পাঠ-১৫ এনকোডার এবং ডিকোডার।

এই পাঠ শেষে যা যা শিখতে পারবে-১। এনকোডার সম্পর্কে ব্যাখ্যা করতে পারবে। ২। এনকোডারের ব্যবহার বর্ণনা করতে পারবে। ৩। ডিকোডার সম্পর্কে ব্যাখ্যা করতে পারবে। ৪। ডিকোডারের ব্যবহার বর্ণনা করতে পারবে। ৫। এনকোডার এবং ডিকোডারের মধ্যে পার্থক্য করতে পারবে। এনকোডার: এনকোডার এক ধরনের সমবায় সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী যা মানুষের ব্যবহৃত ভাষাকে কম্পিউটারের বোধগম্য যান্ত্রিক ভাষায় রূপান্তর করে। এ বর্তনীর 2n  সংখ্যক ইনপুট থেকে সর্বাধিক n সংখ্যক আউটপুট লাইন পাওয়া যায়। যেকোনো মুহূর্তে একটি মাত্র ইনপুট ১ এবং বাকি সব ইনপুট ০ থাকে । এনকোডার সাধারণত ইনপুট ডিভাইস অর্থাৎ কী-বোর্ডের সাথে যুক্...
Read More

তৃতীয় অধ্যায় পাঠ-১৪ লজিক ফাংশন থেকে লজিক সার্কিট ও লজিক সার্কিট থেকে লজিক ফাংশন তৈরি।

এই পাঠ শেষে যা যা শিখতে পারবে-১। লজিক ফাংশন থেকে লজিক সার্কিট তৈরি করতে পারবে। ২। লজিক সার্কিট থেকে লজিক ফাংশন তৈরি করতে পারবে। লজিক ফাংশন থেকে লজিক সার্কিট তৈরি করার ক্ষেত্রে নিমোক্ত নিয়ম বা ক্রম মানা হয়ঃ১। প্রথমত, ফাংশনে যতগুলো চলক আছে তাদের কমন লাইন তৈরি করতে হবে। ২। দ্বিতীয়ত, বন্ধনীর “()” ভিতরের কাজগুলো করতে হবে। ৩। তৃতীয়ত, বামদিক থেকে ফাংশনের মৌলিক অপারেশনগুলো NOT, AND, OR এর কাজ পর্যায়ক্রমে সম্পন্ন করতে হবে।   পাঠ মূল্যায়ন-    Written by,Mizanur Rahman Lecturer of Information & Communication Technolo...
Read More

তৃতীয় অধ্যায় পাঠ-১৩ বিশেষ গেইট (X-OR, X-NOR )।

এই পাঠ শেষে যা যা শিখতে পারবে-১। বিশেষ গেইট বর্ণনা করতে পারবে। ২। X-OR ও X-NOR গেইট ব্যাখ্যা করতে পারবে।  ৩। শুধু মৌলিক গেইট দিয়ে X-OR ও X-NOR গেইট এর লজিক সার্কিট বাস্তবায়ন করতে পারবে। ৪। শুধুমাত্র NAND গেইটের সাহায্যে X-OR ও X-NOR গেইট বাস্তবায়ন করতে পারবে। ৫। শুধুমাত্র  NOR গেইটের সাহায্যে X-OR ও X-NOR গেইট বাস্তবায়ন করতে পারবে।  X-OR গেইটঃ Exclusive OR গেইটকে সংক্ষেপে X-OR গেইট বলা হয়। এটি একটি যৌগিক গেইট যা AND, OR ও NOT গেইটের সাহায্যে তৈরি করা হয়। এই গেইটের মাধ্যমে বিভিন্ন ইনপুট বিট তুলনা করে আউটপুট সংকেত পাওয়া যায়। ইনপুটে বেজোড় সংখ্যক ১ থাকলে আউটপুট ১ হয়, অন...
Read More

পঞ্চম অধ্যায় পাঠ-১৯ ‘সি’ প্রোগ্রামিং ভাষায় অ্যারে।

এই পাঠ শেষে যা যা শিখতে পারবে-১। অ্যারে ব্যাখ্যা করতে পারবে। ২। অ্যারের প্রকারভেদ ব্যাখ্যা করতে পারবে। ৩। অ্যারে ঘোষণা ও এর মান নির্ধারণ করতে পারবে। ৪। অ্যারে ব্যবহারের সুবিধা এবং অসুবিধাসমূহ ব্যাখ্যা করতে পারবে। অ্যারেঃ অ্যারে হলো এক ধরণের ডেটা স্ট্রাকচার, যা একই ধরনের বা সমপ্রকৃতির চলকের সমাবেশ। অ্যারে একটি ডিরাইভড ডেটা টাইপ। একই টাইপের অনেকগুলো চলক নিয়ে কাজ করার প্রয়োজন হলে তখন চলক ঘোষনার পরিবর্তে অ্যারে ঘোষণা করা হয়। অ্যারেকে সাধারণত দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা:১। একমাত্রিক অ্যারে ২। বহুমাত্রিক অ্যারে (দ্বিমাত্রিক অ্যারে,..)  একমাত্রিক অ্যারে: এক...
Read More

পঞ্চম অধ্যায় পাঠ-১৮ continue স্টেটমেন্ট, break স্টেটমেন্ট ও goto স্টেটমেন্ট।

এই পাঠ শেষে যা যা শিখতে পারবে-১। continue স্টেটমেন্ট ব্যবহার করে প্রোগ্রাম লিখতে পারবে। ২। break স্টেটমেন্ট ব্যবহার করে প্রোগ্রাম লিখতে পারবে। ৩। goto স্টেটমেন্ট ব্যবহার করে প্রোগ্রাম লিখতে পারবে। continue স্টেটমেন্টঃ 'সি' প্রোগ্রামে লুপ কন্ট্রোল স্টেটমেন্টের লুপ বডির এক বা একধিক স্টেটমেন্ট নির্বাহ না হয়ে পুনরায় প্রথম থেকে নির্বাহের জন্য continue স্টেটমেন্ট ব্যবহৃত হয়। continue স্টেটমেন্ট শর্তযুক্ত এবং শর্তবিহীন উভয় ভাবে ব্যবহার করা যায়। তবে শর্তবিহীন continue স্টেটমেন্ট অসীম লুপের সৃস্টি করে। continue স্টেটমেন্টের ফরম্যাটঃ [crayon-5d5e97438fc11849207622/]  ...
Read More

পঞ্চম অধ্যায় পাঠ-১৭ লুপ কন্ট্রোল স্টেটমেন্ট সম্পর্কিত প্রোগ্রাম সমূহ।

এই পাঠ শেষে যা যা শিখতে পারবে-১। ১ থেকে ১০ পর্যন্ত সংখ্যা দেখানোর প্রোগ্রাম লিখতে পারবে। ২। ১ থেকে n পর্যন্ত সংখ্যা দেখানোর প্রোগ্রাম লিখতে পারবে। ৩। ১ থেকে ১০ এর মধ্যে অবস্থিত বিজোড় সংখ্যাগুলো দেখানোর প্রোগ্রাম লিখতে পারবে। ৪। ১ থেকে n এর মধ্যে অবস্থিত বিজোড়  সংখ্যাগুলো দেখানোর প্রোগ্রাম লিখতে পারবে। ৫। ১ থেকে ১০ এর মধ্যে অবস্থিত জোড় সংখ্যাগুলো দেখানোর প্রোগ্রাম লিখতে পারবে। ৬। ১ থেকে n এর মধ্যে অবস্থিত জোড়  সংখ্যাগুলো দেখানোর প্রোগ্রাম লিখতে পারবে। ৭। ১ থেকে ১০০ পর্যন্ত সংখ্যা গুলোর যোগফল দেখানোর প্রোগ্রাম লিখতে পারবে।  অথবা১+২+৩+৪+ - - - - -+১০০ ধারার যোগফল দেখ...
Read More

পঞ্চম অধ্যায় পাঠ-১৬ ‘সি’ প্রোগ্রামিং ভাষায় লুপ কন্ট্রোল স্টেটমেন্ট।

এই পাঠ শেষে যা যা শিখতে পারবে-১। লুপ ব্যাখ্যা করতে পারবে। ২। লুপ কন্ট্রোল স্টেটমেন্ট ব্যাখ্যা করতে পারবে। ৩। for লুপ স্টেটমেন্ট, while লুপ স্টেটমেন্ট ও do...while লুপ স্টেটমেন্ট ব্যাখ্যা করতে পারবে। ৪। while লুপ স্টেটমেন্ট ও do while লুপ স্টেটমেন্টের মধ্যে পার্থক্য করতে পারবে। লুপঃ প্রোগ্রামের এক বা একাধিক স্টেটমেন্ট নির্দিস্ট সংখ্যক বার পুনরাবৃত্তি করাকে লুপ বা লুপিং বলে। লুপের প্রকারভেদ:সসীম লুপ - যদি কোন লুপ নির্দিষ্ট সংখ্যক বার পুনরাবৃত্তি হয়, তখন তাকে সসীম লুপ বলে। অসীম লুপ - যদি কোন লুপ অনবরত পুনরাবৃত্তি হতে থাকে, অর্থাৎ কখনো শেষ না হয় তবে তাকে অস...
Read More

পঞ্চম অধ্যায় পাঠ-১৫ কন্ডিশনাল কন্ট্রোল স্টেটমেন্ট সম্পর্কিত প্রোগ্রাম সমূহ।

এই পাঠ শেষে যা যা শিখতে পারবে-১। কোন সংখ্যা জোড়/বিজোড় নির্নয়ের জন্য সি প্রোগ্রামিং ভাষায় একটি প্রোগ্রাম লিখতে পারবে। ২। কোন সংখ্যা ধনাত্মক/ঋণাত্মক নির্নয়ের জন্য সি প্রোগ্রামিং ভাষায় একটি প্রোগ্রাম লিখতে পারবে। ৩। কোন একটি সাল লিপ ইয়ার(Leap Year ) নির্নয়ের জন্য সি প্রোগ্রামিং ভাষায় একটি প্রোগ্রাম লিখতে পারবে। ৪। দুটি সংখ্যার মধ্যে বড় সংখ্যা নির্নয়ের জন্য সি প্রোগ্রামিং ভাষায় একটি প্রোগ্রাম লিখতে পারবে। ৫। দুটি পূর্ণ সংখ্যার ল.সা.গু. নির্নয়ের জন্য সি প্রোগ্রামিং ভাষায় একটি প্রোগ্রাম লিখতে পারবে। ৬। দুটি পূর্ণ সংখ্যার গ.সা.গু. নির্নয়ের জন্য সি প্রোগ্রামিং ভাষায় একটি প্রোগ্রাম...
Read More

পঞ্চম অধ্যায় পাঠ-১৪ ‘সি’ প্রোগ্রামিং ভাষায় কন্ডিশনাল কন্ট্রোল স্টেটমেন্ট।

এই পাঠ শেষে যা যা শিখতে পারবে-১। কন্ট্রোল স্টেটমেন্ট ব্যাখ্যা করতে পারবে। ২। বিভিন্ন প্রকার কন্ট্রোল স্টেটমেন্ট ব্যাখ্যা করতে পারবে। ৩। কন্ডিশনাল কন্ট্রোল স্টেটমেন্ট সম্পর্কে বিস্তারিত ব্যাখ্যা করতে পারবে। ৪।  কন্ডিশনাল কন্ট্রোল স্টেটমেন্ট ব্যবহার করে প্রোগ্রাম লিখতে পারবে। কন্ট্রোল স্টেটমেন্টঃ 'সি' প্রোগ্রামিং ভাষায় স্টেটমেন্টসমূহ সাধারণত স্বয়ংক্রিয়ভাবে পর্যায়ক্রমে নির্বাহ হয়। কিন্তু বিভিন্ন পরিস্থিতিতে প্রোগ্রামের নির্বাহ নিয়ন্ত্রণ (যেমন- এক বা একাধিক স্টেটমেন্ট একাধিক বার নির্বাহ, শর্ত সাপেক্ষে কোন এক বা একাধিক স্টেটমেন্ট নির্বাহ, এক স্টেটমেন্ট থেকে অন্য স্টেটমেন...
Read More

পঞ্চম অধ্যায় পাঠ-১৩ সাধারণ গাণিতিক সমস্যা সম্পর্কিত প্রোগ্রামসমূহ।

এই পাঠ শেষে যা যা শিখতে পারবে-১। দুইটি সংখ্যা ইনপুট নিয়ে যোগফল নির্নয় করার জন্য 'সি' প্রোগ্রামিং ভাষায় একটি প্রোগ্রাম তৈরি করতে পারবে। ২। দুইটি সংখ্যা ইনপুট নিয়ে বিয়োগফল নির্নয় করার জন্য 'সি' প্রোগ্রামিং ভাষায় একটি প্রোগ্রাম তৈরি করতে পারবে। ৩। দুইটি সংখ্যা ইনপুট নিয়ে গুণফল নির্নয় করার জন্য 'সি'প্রোগ্রামিং ভাষায় একটি প্রোগ্রাম তৈরি করতে পারবে। ৪। দুইটি সংখ্যা ইনপুট নিয়ে ভাগফল নির্নয় করার জন্য 'সি' প্রোগ্রামিং ভাষায় একটি প্রোগ্রাম তৈরি করতে পারবে। ৫। সেলসিয়াস স্কেলের তাপমাত্রাকে ফারেনহাইট স্কেলের তাপমাত্রায় রুপান্তরের প্রোগ্রাম তৈরি করতে পারবে। ৬। ফারেনহাইট স্কেলের তাপমাত্র...
Read More